বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহারে জায়গা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ইকবাল হোসেন (৫৬) নামে এক বিএনপি নেতা ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত হয়েছেন।
শনিবার দুপুরে সান্তাহার রেলগেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহত ইকবাল হোসেন সান্তাহার পৌর বিএনপির সহ-সভাপতি এবং শহরের মাইক্রোস্ট্যান্ড মহল্লার মৃত মনসুর আলীর ছেলে। গুরুতর অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে নওগাঁ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার দুপুরে সান্তাহার রেলগেট এলাকায় একটি কলার দোকানের সামনে জায়গা নিয়ে বিরোধের জেরে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এ সময় ইকবাল হোসেনের সঙ্গে একই শহরের ইয়ার্ড কলোনী ও হলুদঘর এলাকার নীরব, সাইফুলসহ কয়েকজন যুবকের বাকবিতণ্ডা শুরু হয়।
একপর্যায়ে প্রতিপক্ষের লোকজন তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে পেটে দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে তিনি গুরুতর জখম হন এবং প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়। স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
পরে স্থানীয়রা আহত ইকবাল হোসেনকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দিয়ে পরে নওগাঁ সদর হাসপাতালে পাঠান।
সান্তাহার রেলওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ হাবিবুর রহমান বলেন, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ভুক্তভোগী পক্ষ মামলা করলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শনিবার দুপুরে সান্তাহার রেলগেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহত ইকবাল হোসেন সান্তাহার পৌর বিএনপির সহ-সভাপতি এবং শহরের মাইক্রোস্ট্যান্ড মহল্লার মৃত মনসুর আলীর ছেলে। গুরুতর অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে নওগাঁ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার দুপুরে সান্তাহার রেলগেট এলাকায় একটি কলার দোকানের সামনে জায়গা নিয়ে বিরোধের জেরে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এ সময় ইকবাল হোসেনের সঙ্গে একই শহরের ইয়ার্ড কলোনী ও হলুদঘর এলাকার নীরব, সাইফুলসহ কয়েকজন যুবকের বাকবিতণ্ডা শুরু হয়।
একপর্যায়ে প্রতিপক্ষের লোকজন তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে পেটে দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে তিনি গুরুতর জখম হন এবং প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়। স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
পরে স্থানীয়রা আহত ইকবাল হোসেনকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দিয়ে পরে নওগাঁ সদর হাসপাতালে পাঠান।
সান্তাহার রেলওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ হাবিবুর রহমান বলেন, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ভুক্তভোগী পক্ষ মামলা করলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বগুড়া প্রতিনিধি: